ঢাকা   বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

সোনারগাঁয়ে বাড়ি ফেরার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

গ্রামবাংলা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১৭:৩৮, ২২ অক্টোবর ২০২৬

সর্বশেষ

সোনারগাঁয়ে বাড়ি ফেরার পথে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাড়ি ফেরার পথে জহির ফকির (৪৫) নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে ফেরার পথে হামলার শিকার হন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। তিনি মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতেন। সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় তাঁর একটি ফার্মেসি ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল জহিরের পথ আটকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। পরে তাঁকে ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত জহিরের ভাগনে ইসমাইল হোসেন ও বিল্লাল হোসেনের অভিযোগ, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা নিয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্যসচিব মোবারক হোসাইনের সঙ্গে জহিরের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর আগেও মোবারক তাঁর লোকজন নিয়ে জহিরের ওপর কয়েকবার হামলা করেছিলেন বলে তাঁদের দাবি।

তাঁদের অভিযোগ, বুধবার রাতে মোবারক ও তাঁর সহযোগীরা আড়াইহাজার থেকে এসে পূর্বপরিকল্পিতভাবে জহিরকে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযোগের বিষয়ে মোবারক হোসাইনের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির যুবদলের একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। তাঁর বাড়ি কালাপাহাড়িয়ায় হলেও তিনি মুন্সিগঞ্জে বসবাস করতেন। ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তাঁকে হত্যা করেছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন। খোরশেদ আলম বলেন, জহির প্রায়ই তাঁকে বলতেন, তাঁকে মেরে ফেলা হতে পারে। তবে কার সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল, তা তিনি জানেন না।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক জানান, জহিরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।

সর্বশেষ