শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত একাধিক কোম্পানি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিক (অক্টোবর’২৫–ডিসেম্বর’২৫) এবং অর্ধবার্ষিক (জুলাই’২৫–ডিসেম্বর’২৫) সময়ের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে টেক্সটাইল ও ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে লোকসানের ধারা অব্যাহত থাকলেও কিছু কোম্পানির আয় ও লোকসান পরিস্থিতিতে উন্নতির আভাস মিলেছে।
অলিম্পিক এক্সেসরিজ
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অলিম্পিক এক্সেসরিজের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৫ পয়সা। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে কোম্পানিটির সম্মিলিত লোকসান দাঁড়িয়েছে ১৭ পয়সা, আগের বছর যা ছিল ১৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৯ টাকা ১৬ পয়সা।
ফারইস্ট নিটিং
ফারইস্ট নিটিং দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ৯১ পয়সা লোকসান করেছে। আগের বছর একই সময়ে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি ৭৩ পয়সা আয় করেছিল। অর্ধবার্ষিক হিসাবে ইপিএস দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ৩৫ পয়সা। প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি ক্যাশফ্লো নেমে এসেছে মাইনাস ১ টাকা ৪৭ পয়সা। এ সময় এনএভিপিএস ছিল ১৯ টাকা ২৬ পয়সা।
জাহিন স্পিনিং
জাহিন স্পিনিংয়ের লোকসান উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৪ পয়সা, যেখানে আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ১ টাকা ১৫ পয়সা। অর্ধবার্ষিকে লোকসান দাঁড়িয়েছে ৫ পয়সা। প্রান্তিক শেষে শেয়ারপ্রতি ক্যাশফ্লো ছিল ২ পয়সা এবং এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ২৫ পয়সা।
খান ব্রাদার্স
খান ব্রাদার্সের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৩৬ পয়সা, যা আগের বছর ছিল মাত্র ৭ পয়সা। অর্ধবার্ষিকে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১১ টাকা ৮১ পয়সা।
সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস
সেন্ট্রাল ফার্মা দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ১৪ পয়সা লোকসান করেছে, যা আগের বছরের ১৬ পয়সা লোকসানের তুলনায় কিছুটা কম। অর্ধবার্ষিক হিসাবেও লোকসান কমে দাঁড়িয়েছে ৬ পয়সা। প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ৬ টাকা ৭৪ পয়সা।
আজিজ পাইপস
আজিজ পাইপস দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ৭৮ পয়সা লোকসান করেছে, যা আগের বছরের ৮২ পয়সার তুলনায় সামান্য কম। তবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ১৪ পয়সা, যা আর্থিক ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়।
নাহী অ্যালুমিনিয়াম
নাহী অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেল দ্বিতীয় প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি ৮ পয়সা আয় করেছে, যদিও আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ১২ পয়সা। অর্ধবার্ষিকে ইপিএস নেমে এসেছে ১৫ পয়সায়, আগের বছর যা ছিল ২৮ পয়সা। প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৯ পয়সা।
























