ঢাকা   রোববার ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

হিমবাহ ধসে নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত ৩৫৯

বিশেষ প্রতিবেদন

শেয়ারবিজনেস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:২৪, ২৭ আগস্ট ২০২৬

সর্বশেষ

হিমবাহ ধসে নেপাল-তিব্বতে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধস, নিহত ৩৫৯

হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টায় নেপাল পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে। এ ঘটনায় নেপাল-তিব্বত সীমান্তের উভয় পাশে এখনো প্রায় এক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

বুধবার সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে এই আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। এতে সীমান্তের দুই পাশেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

চীনের তিব্বত অংশে তিনজন নিহত এবং ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। নেপালের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজদের মধ্যে ১৭৮ জন ভারতীয়, ১২৭ জন নেপালি, ৬৫ জন মার্কিন নাগরিক এবং ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক রয়েছেন। এ ছাড়া বেশ কিছু সেনা ও পুলিশ সদস্যও নিখোঁজ রয়েছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, হিমবাহ ধসে বিপুল পরিমাণ বরফ ও ধ্বংসাবশেষ নদীতে নেমে আসার কারণে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। নদীতে ধ্বংসাবশেষ জমে থাকায় পরবর্তী সময়ে আরও বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তিনি নুয়াকোট জেলার বিদুর ও আশপাশের জনপদ ঘুরে দেখেন।

চীন-নেপালের মধ্যে পর্যটক ও যানবাহন চলাচলের অন্যতম প্রধান সীমান্তপথ হলো চীনের গিরং স্থলবন্দর। বুধবারের বন্যা ও ভূমিধসে বন্দরটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং এর একটি বড় অংশ বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তিব্বতের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। এর আগে বুধবার চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সর্বাত্মক উদ্ধার অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ