ঢাকা   বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

গ্রামবাংলা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২০:৩৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রায় ছয় কোটি টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায় ফুডপান্ডা বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দা আমবারীন রেজাসহ পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।

পরোয়ানা জারি হওয়া অপর চার আসামি হলেন ফুডপান্ডা বাংলাদেশের কো-ফাউন্ডার ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, পান্ডামার্টের পরিচালক মো. তাবরেজ খান, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক এবং সিনিয়র ম্যানেজার মোহাম্মদ সাজেদুল হক। মামলার বাদী শিহাব মাহমুদ বশির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ী ও ফার্স্ট টেলি সেলস কোম্পানির স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির প্রায় ছয় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত বছরের ৩ জুলাই ঢাকার আদালতে চারটি পৃথক মামলা করেন। আদালত তখন মামলাগুলো আমলে নিয়ে গুলশান থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তদন্ত শেষে চার মামলার মধ্যে একটি মামলায় গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. মশিউর রহমান এবং অপর একটি মামলায় একই থানার এসআই মো. সাখাওয়াত হোসেন তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন। বুধবার আদালত তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদী তাঁর প্রতিষ্ঠান আইপিএলই ইলেকট্রনিক্সের মাধ্যমে হাউসহোল্ড ও কিচেন অ্যাকসেসরিজ, মোবাইল অ্যাকসেসরিজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে ফুডপান্ডার সহযোগী প্রতিষ্ঠান পান্ডামার্টে সরবরাহ করতেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন ক্রয়াদেশের বিপরীতে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার পণ্য সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হলেও প্রায় ১ কোটি টাকা বকেয়া থেকে যায় বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

বাদীর অভিযোগ, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য গত বছরের ২৬ জুন তাঁর এক প্রতিনিধি আসামিদের কার্যালয়ে গেলে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। এমনকি তাঁকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, সরবরাহ করা কিছু পণ্য নষ্ট হয়ে গেছে দেখিয়ে ভুয়া ফেরত চালান তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে বাদীর পাওনা অর্থের পরিমাণ কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ছাড়া চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে ভ্যাট, ট্যাক্স ও বিজ্ঞাপন বাবদ প্রায় ১০ লাখ টাকা কেটে নেওয়ার অভিযোগও মামলায় আনা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আসামিপক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। আদালতের আদেশের পর মামলাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

সর্বশেষ