ঢাকা   শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

এশিয়ার সেরা ২০ সমুদ্রসৈকতের তালিকায় নেই কক্সবাজার

ভ্রমণ

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১৩:০৩, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সর্বশেষ

এশিয়ার সেরা ২০ সমুদ্রসৈকতের তালিকায় নেই কক্সবাজার

এশিয়ার সেরা ২০টি সমুদ্রসৈকতের তালিকা প্রকাশ করেছে ভ্রমণবিষয়ক আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’। পাঠকদের ভোটে তৈরি ‘রিডার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর এই তালিকায় প্রথম স্থান পেয়েছে শ্রীলঙ্কার আরুগাম বে। তবে এশিয়ার সেরা ২০ সৈকতের তালিকায় জায়গা হয়নি বাংলাদেশের কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের।

সাময়িকীটির প্রকাশিত তালিকায় এশিয়ার ছয়টি দেশের সমুদ্রসৈকত স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডের চারটি করে, ভারতের চারটি, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ার তিনটি করে এবং ফিলিপাইনের দুটি সৈকত রয়েছে। অর্থাৎ তালিকায় সবচেয়ে বেশি সৈকত রয়েছে শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ভারতের।

তালিকার শীর্ষে থাকা শ্রীলঙ্কার আরুগাম বে পেয়েছে ১০০-এর মধ্যে ৯৮ দশমিক ৮৪ স্কোর। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে থাইল্যান্ডের রাইলে বিচ। এর স্কোর ৯৪ দশমিক ৪৪। তৃতীয় স্থানে থাকা মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের পাংকর দ্বীপের কোরাল বিচ পেয়েছে ৯৩ দশমিক ৩৩ স্কোর।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফিলিপাইনের বোরাকে সৈকত, যার স্কোর ৯৩ দশমিক ০১। পঞ্চম স্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার নুসা দুয়া বিচ পেয়েছে ৯২ দশমিক ৯৩ স্কোর।

তালিকার ষষ্ঠ থেকে দশম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে মালয়েশিয়ার পেরহেনতিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ইন্দোনেশিয়ার পান্তাই পাদাং পাদাং, মালয়েশিয়ার লাংকাউই দ্বীপ, শ্রীলঙ্কার বেনটোটা বিচ এবং থাইল্যান্ডের আও নাং বিচ।

অন্যদিকে ভারতের রাধানগর বিচ রয়েছে ১১তম স্থানে। ফিলিপাইনের এল নিডো ১২তম, ভারতের আগোন্ডা বিচ ১৩তম, শ্রীলঙ্কার তাঙ্গালে বিচ ১৪তম এবং ভারতের আনজুনা বিচ ১৫তম স্থানে রয়েছে।

তালিকার শেষ পাঁচটি অবস্থানে রয়েছে থাইল্যান্ডের পাতায়া বিচ, ইন্দোনেশিয়ার গিলি ত্রাওয়ানগান বিচ, থাইল্যান্ডের মায়া বে, শ্রীলঙ্কার নেগোম্বো বিচ এবং ভারতের গোকর্ণ বিচ। তালিকার ২০তম স্থানে থাকা গোকর্ণ বিচের স্কোর ৭৭ দশমিক ৫৭।

‘কনডে নাস্ট ট্রাভেলার’ জানিয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সমুদ্রসৈকত নিয়ে পাঠকদের কাছে তাঁদের পছন্দ জানতে চাওয়া হয়েছিল। পাঠকদের ভোটের ভিত্তিতেই এবারের ‘রিডার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

সর্বশেষ