ঢাকা   সোমবার ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়

শেয়ারবিজনেস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:১৯, ২৭ জুন ২০২৬

বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, "বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ রক্ষার। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আমি দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়েই আলোচনা করেছি এবং সেই স্বার্থ রক্ষার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।"

শনিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের (বাজেট অধিবেশন) ১৬তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য তাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানানো হয়। জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "এখানে ব্যক্তিগত কোনো অর্জনের বিষয় নেই। এই সফরের মাধ্যমে যদি কোনো ইতিবাচক ফল অর্জিত হয়ে থাকে, সেটি বাংলাদেশের অর্জন, দেশের মানুষের অর্জন।"

তিনি আরও বলেন, "সংসদের পক্ষ থেকে আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে, এজন্য আমি সব সংসদ সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের রাজনৈতিক দর্শনের মূল কথা হলো—'বাংলাদেশ ফার্স্ট' বা 'বাংলাদেশ প্রথম'। দেশের স্বার্থই আমাদের সব সিদ্ধান্তের কেন্দ্রবিন্দু।"

এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের সাফল্যের জন্য ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে এ প্রস্তাবের ওপর বিস্তারিত আলোচনা শেষে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ সফরের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। সরকারি ও বিরোধী—উভয় দলের সংসদ সদস্যরা সফরটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি, অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন।

কণ্ঠভোটের আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বলেন, আলোচনায় অংশ নেওয়া সদস্যদের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে।