মাস শেষ হতে এখনো বাকি, অথচ আগস্টের প্রথম ১২ দিনেই দেশে ঢুকেছে প্রায় ১৫০ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। গত বছরের একই সময়ে যেখানে এসেছিল ১০৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার, সেখানে এবার এসেছে ১৪৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ মাত্র ১২ দিনেই প্রবাসী আয়ে বেড়েছে ৪২ দশমিক ২ শতাংশ—যা রেমিট্যান্স প্রবাহে শক্তিশালী প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি আগস্টের প্রথম ১২ দিনে দেশে মোট ১৪৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১০৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। জুলাই থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট ৪৩৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৩৫৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। ফলে এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ১২ আগস্ট একদিনেই প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে দেশে ১১ কোটি ১০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। ফলে আগস্টের শুরুতে রেমিট্যান্সের যে গতি দেখা যাচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ আরও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।
রিজার্ভে স্বস্তির বার্তা
বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবাসী আয় বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ শক্তিশালী হয়, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ফলে আগস্টের শুরুতে রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবাহ শুধু প্রবাসী আয়ের পরিসংখ্যানেই বড় পরিবর্তন আনছে না, বরং সামগ্রিক অর্থনীতিতেও স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি করছে।
























