চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১ হাজার ৬৮৭ মিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১০ হাজার ১৯২ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, চার মাসে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বেড়েছে ১ হাজার ৪৯৫ মিলিয়ন ডলার।
এদিকে, চলতি বছরের ১ নভেম্বর এক দিনেই দেশে ২২২ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের একই দিনে এই অঙ্ক ছিল ৪৩ মিলিয়ন ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে এক দিনের রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৭৯ মিলিয়ন ডলার।
প্রবাসী আয়ের এই প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগান বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বহিঃখাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও সহায়তা করছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়লে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে চাপ কমে এবং অর্থনীতির সামগ্রিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।























