বরিশালে শ্রমিকদের প্রতিবাদের কারণে কারখানা বন্ধ থাকার খবরকে কেন্দ্র করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রশ্নের জবাব দিয়েছে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। কোম্পানিটি জানিয়েছে, একটি শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় সাময়িকভাবে কারখানার কার্যক্রম ব্যাহত হলেও বর্তমানে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় কোম্পানির স্বাভাবিক ব্যবসায় কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েনি এবং প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়েও কোনো অনিশ্চয়তা নেই।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর একটি অনলাইন গণমাধ্যমে ‘বরিশালে কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকরা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ অক্টোবর কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে কোয়েরি লেটার পাঠায় ডিএসই। এর জবাবে কোম্পানিটি তাদের অবস্থান তুলে ধরে।
ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস জানিয়েছে, গত ১৩ সেপ্টেম্বর কোম্পানির একজন কর্মকর্তাকে কয়েকজন শ্রমিকের মৌখিকভাবে হয়রানি করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কারখানার কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।
ঘটনার পর বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয় এবং আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে কোম্পানি। তদন্তে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত কয়েকজন শ্রমিক পরবর্তীতে কারখানা প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং স্বাভাবিক উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত করেন।
এ পরিস্থিতিতে ব্যবস্থাপনা প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয় বলে জানিয়েছে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস।
তবে কোম্পানির দাবি, পরিস্থিতি বর্তমানে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানার কার্যক্রম শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিকভাবে চলছে।
কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, ওই ঘটনাটি তাদের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলেনি। পাশাপাশি এ ঘটনার কারণে কোম্পানির গোয়িং কনসার্ন বা ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।
ফলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত কারখানা বন্ধের খবরের বিষয়ে ডিএসইকে দেওয়া ব্যাখ্যায় ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস মূলত জানিয়েছে, শ্রমিক অসন্তোষের কারণে কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হলেও বর্তমানে কারখানার উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
























