শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফাইন ফুডস ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য মুনাফা বৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৪০ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং উদ্যোক্তা-পরিচালকদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ।
কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক ফলাফল পর্যালোচনা করে এই ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হয়েছে।
ইপিএস বেড়েছে প্রায় তিন গুণ
আলোচ্য অর্থবছরে ফাইন ফুডসের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে ১১ টাকা ৮১ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৪ টাকা ১৮ পয়সা।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে ৭ টাকা ৬৩ পয়সা। শতাংশের হিসাবে ইপিএস বৃদ্ধির হার প্রায় ১৮২ শতাংশ।
মুনাফায় এমন উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির পরই বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় অঙ্কের নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি।
নগদ প্রবাহেও উন্নতি
শুধু ইপিএস নয়, কোম্পানিটির পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহেও উন্নতি হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বা এনওসিএফপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯০ পয়সা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৬৭ পয়সা।
অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ বেড়েছে ২৩ পয়সা।
এনএভিপিএস ২৫ টাকা ২০ পয়সা
২০২৬ সালের ৩০ জুন তারিখে ফাইন ফুডসের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ২০ পয়সা।
কোম্পানিটির আর্থিক ফলাফলে মুনাফা ও পরিচালন নগদ প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি সম্পদমূল্যের এই অবস্থানও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এজিএম ২৬ ডিসেম্বর, রেকর্ড ডেট ১২ নভেম্বর
ঘোষিত ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য কোম্পানিটির বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএম আগামী ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
ডিভিডেন্ড পাওয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারী নির্ধারণে রেকর্ড ডেট ১২ নভেম্বর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলে ঘোষিত ৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেতে বিনিয়োগকারীদের রেকর্ড ডেটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
























