৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৬টি ব্যাংকের মধ্যে ৩০টি ব্যাংক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে আগের বছরের তুলনায় ৯টি ব্যাংক লভ্যাংশ বাড়িয়েছে। অন্যদিকে ৪টি ব্যাংকের ডিভিডেন্ড কমেছে, ৩টির অপরিবর্তিত রয়েছে এবং ১৪টি ব্যাংক কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে পারেনি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
যেসব ব্যাংক চলতি অর্থবছরে ডিভিডেন্ড বাড়িয়েছে সেগুলো হলো— ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক এবং শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক।
ব্র্যাক ব্যাংক ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক মিলিয়ে মোট ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আগের বছর ছিল মোট ২০ শতাংশ। ফলে ব্যাংকটির ডিভিডেন্ড বেড়েছে ১০ শতাংশ।
সিটি ব্যাংক ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে, যা আগের বছরের ২৫ শতাংশের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি।
ডাচ-বাংলা ব্যাংক ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আগের বছর মোট ২০ শতাংশ দেওয়ায় এবার ডিভিডেন্ড বেড়েছে ১০ শতাংশ।
যমুনা ব্যাংক ২৯ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আগের বছর মোট ২৬ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেওয়ায় এবার বেড়েছে ৩ শতাংশ।
মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে, যা আগের বছরের ১০ শতাংশের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি।
এনসিসি ব্যাংক ১৭ শতাংশ নগদ ও ৪ শতাংশ স্টকসহ মোট ২১ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আগের বছর ছিল ১৩ শতাংশ নগদ। ফলে মোট ডিভিডেন্ড বেড়েছে ৮ শতাংশ।
প্রাইম ব্যাংক ২৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আগের বছর মোট ২০ শতাংশ দেওয়ায় এবার ডিভিডেন্ড বেড়েছে ১০ শতাংশ।
পূবালী ব্যাংক ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ৩০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আগের বছরের ২৫ শতাংশের তুলনায় বেড়েছে ৫ শতাংশ।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ১৩ শতাংশ নগদ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে, যা আগের বছরের ১০ শতাংশের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি।
ডিভিডেন্ড বৃদ্ধির এ প্রবণতা ব্যাংকিং খাতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা ও মুনাফার ইতিবাচক ধারার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। তবে একই সঙ্গে ১৪টি ব্যাংকের ডিভিডেন্ড দিতে না পারা খাতটির বৈষম্যপূর্ণ অবস্থাও তুলে ধরছে।
























