মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশিদের চাকরির নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে নিয়োগকর্তার সঙ্গে সম্পাদিত চাকরির চুক্তিপত্রের অনুলিপি নিজেদের কাছে সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। একই সঙ্গে ভ্রমণ ভিসায় মালদ্বীপ গিয়ে কাজের চেষ্টা না করার বিষয়ে সতর্ক করেছে হাইকমিশন। এভাবে কাজের চেষ্টা করলে জেল ও জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
রোববার (১ নভেম্বর) প্রকাশিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা দিয়েছে মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
চাকরির চুক্তিপত্র সংরক্ষণের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়ম অনুযায়ী মালদ্বীপে কর্মরত প্রত্যেক বাংলাদেশি কর্মীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের লিখিত চাকরির চুক্তি থাকা বাধ্যতামূলক।
চুক্তিপত্রে কর্মীর কাজের ধরন ও দায়িত্ব, নির্ধারিত বেতন, প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা এবং চাকরির অন্যান্য শর্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। এসব বিষয় লিখিতভাবে থাকলে কর্মীরা নিজেদের চাকরিসংক্রান্ত অধিকার ও শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন।
হাইকমিশন জানায়, শুধু চাকরির চুক্তি সম্পাদন করলেই হবে না, প্রত্যেক কর্মীকে নিয়োগকর্তা বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছ থেকে চুক্তিপত্রের একটি অনুলিপি সংগ্রহ করতে হবে। সেটি ব্যক্তিগতভাবে নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে।
মালদ্বীপে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি হাইকমিশনের নির্দেশনা অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ভ্রমণ ভিসায় কাজের চেষ্টা করলে জেল-জরিমানা
পৃথক আরেক বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশন জানিয়েছে, ভ্রমণ ভিসায় মালদ্বীপে গিয়ে বৈধভাবে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। ভ্রমণ ভিসায় দেশটিতে প্রবেশের পর ওয়ার্ক ভিসা পাওয়ার সুযোগও নেই বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভ্রমণ ভিসায় মালদ্বীপে এসে কাজ করার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জেল ও জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
তাই মালদ্বীপে কাজের উদ্দেশ্যে যেতে আগ্রহীদের ভ্রমণ ভিসার পরিবর্তে বৈধ কর্মসংস্থান ও ওয়ার্ক ভিসার প্রক্রিয়া অনুসরণ করার বিষয়ে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।
























