বাংলাদেশে আগামী পাঁচ বছরে আরও ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আনার উদ্যোগের কথা জানিয়েছে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচেম)।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করে অ্যামচেমের নির্বাহী কমিটির একটি প্রতিনিধি দল। সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট ও মাস্টারকার্ডের ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে অ্যামচেম জানায়, বাংলাদেশে তাদের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠান দেশের মোট কর রাজস্বের ২০ শতাংশের বেশি জোগান দেয়।
অ্যামচেম আরও বিনিয়োগ আকর্ষণে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের সহযোগিতা চায়। ব্যবসা সহজ করতে সময়সীমাবদ্ধ অনুমোদন, সিঙ্গেল উইন্ডো ব্যবস্থা, ডিজিটাল কর ও ভ্যাট ব্যবস্থাপনা, সহজ কাস্টমস প্রক্রিয়া এবং মূলধন ও মুনাফা ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া উন্নয়নের মতো সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানায় সংগঠনটি।
বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে দীর্ঘমেয়াদি নীতির ধারাবাহিকতা, নির্ভরযোগ্য অবকাঠামো ও জ্বালানি সরবরাহ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্ব দেয় অ্যামচেম।
প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, আধুনিক উৎপাদন এবং আর্থিক খাতের আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অ্যামচেমের অব্যাহত সহযোগিতাকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক রূপান্তরের নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে।
বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে নীতির ধারাবাহিকতা, কার্যকর প্রশাসন ও ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠকে অ্যামচেমের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সংগঠনটি ও বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাস যৌথভাবে আয়োজিত ৩০তম ইউএস ট্রেড শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়।
























