২০২৭ সালের হজ পালনে কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও নির্দিষ্ট বয়সের শিশু অংশ নিতে পারবেন না। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং কয়েকটি গুরুতর ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের হজ পালনের জন্য অযোগ্য বিবেচনা করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের গত ২৭ জুলাইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যগত যোগ্যতার বিষয়ে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদি হৃদ্রোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনির জটিলতায় ভোগা ব্যক্তিরা হজে অংশ নিতে পারবেন না।
এ ছাড়া গুরুতর স্নায়বিক রোগ, মারাত্মক মানসিক অসুস্থতা কিংবা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে না।
ক্যান্সারে আক্রান্তদের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ। বর্তমানে কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি অথবা রেডিওথেরাপি গ্রহণ করছেন—এমন রোগীদের হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।
জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও হজে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হবেন। এ তালিকায় যক্ষ্মা বা টিবি এবং হেমোরেজিক ফিভারের মতো রোগ রয়েছে।
গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যগত বিধিনিষেধ রয়েছে। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাসে থাকা নারী এবং উচ্চঝুঁকির গর্ভাবস্থায় থাকা নারীদের হজ পালনের জন্য ফিটনেস সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না। ফলে তাঁরাও ২০২৭ সালের হজে অংশ নিতে পারবেন না।
এদিকে, ২৪ সেপ্টেম্বরের পর ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। সৌদি সরকারের নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী, নিবন্ধন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে কতজন মানুষ হজ পালনে আগ্রহী, সেই চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ ও টিকাদানের জন্য জেলা নির্বাচন করতে হবে। পাশাপাশি হজের ধরন এবং নির্ধারিত প্যাকেজও বেছে নিতে হবে।
হজযাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদও একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ অবশ্যই ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত থাকতে হবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে হজে যাওয়ার জন্য আগ্রহী মানুষের চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
























