ঢাকা   সোমবার ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

রেনাটার মুনাফা-নগদ প্রবাহে ধারাবাহিক উন্নতি,সামনে ডিভিডেন্ড

শেয়ারবাজার

শেয়ারবিজনেস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:২৫, ৫ অক্টোবর ২০২৬

সর্বশেষ

রেনাটার মুনাফা-নগদ প্রবাহে ধারাবাহিক উন্নতি,সামনে ডিভিডেন্ড

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রেনাটা পিএলসি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে আর্থিক ও ব্যবসায়িক—দুই দিক থেকেই অগ্রগতির ধারায় রয়েছে। তিন প্রান্তিকের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি প্রান্তিকেই আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস বেড়েছে। একই সঙ্গে পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

শুধু দেশীয় ব্যবসায় নয়, এ সময়ে ইউরোপ, যুক্তরাজ্য ও তুরস্কের মতো কঠোর নিয়ন্ত্রিত আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন ওষুধ বাজারজাত, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন অর্জন এবং নতুন বাজারে পণ্য পাঠানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি করেছে কোম্পানিটি। এর সঙ্গে মূলধন কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগও আর্থিক ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

নয় মাসে ইপিএস বেড়েছে প্রায় ২৮ শতাংশ

রেনাটার ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ ২০২৬ সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৮১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ ইপিএস ছিল ৫ টাকা ১২ পয়সা।

অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে তৃতীয় প্রান্তিকে ইপিএস বেড়েছে ১ টাকা ৬৯ পয়সা।

তবে পুরো নয় মাসের চিত্র আরও গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে রেনাটার সমন্বিত ইপিএস দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৩৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ ইপিএস ছিল ১৫ টাকা ৯৫ পয়সা।

অর্থাৎ নয় মাসে ইপিএস বেড়েছে ৪ টাকা ৪৪ পয়সা বা প্রায় ২৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

এতে বোঝা যায়, কোনো একটি প্রান্তিকের ওপর নির্ভর করে নয়; বরং পুরো অর্থবছরের প্রথম নয় মাসেই রেনাটার মুনাফা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।

দ্বিতীয় প্রান্তিকেও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকেও কোম্পানিটির আর্থিক ফলাফলে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ছিল।

অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ৫ টাকা ৬৪ পয়সা।

আর ছয় মাসের হিসাবে জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫ সময়ে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৫৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১০ টাকা ৮৩ পয়সা।

কোম্পানির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পরিচালন মুনাফায় শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি এবং মূলধন পুনর্গঠনের ফলে নিট অর্থায়ন ব্যয় কমে যাওয়া ইপিএস বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ। তবে বেশি আয়কর ব্যয় মুনাফা বৃদ্ধির একটি অংশকে কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে।

পরিচালন নগদ প্রবাহেও বড় উন্নতি

রেনাটার আর্থিক অবস্থার আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো পরিচালন কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহের উন্নতি।

জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত নয় মাসে শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ বা এনওসিএফপিএস হয়েছে ২২ টাকা ৪০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ সূচক ছিল ২১ টাকা ৭৬ পয়সা।

আর ছয় মাস শেষে এনওসিএফপিএস ছিল ১২ টাকা ৮৭ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ৩ টাকা ৬০ পয়সা।

প্রথম প্রান্তিকেও এ সূচকে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২৫ সময়ে এনওসিএফপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৬১ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ঋণাত্মক ৪ পয়সা।

কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, পরিচালন মুনাফার প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি কার্যকর চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনা, পাওনা আদায় বৃদ্ধি এবং মজুদে আটকে থাকা নগদ কমানোর কারণে নগদ প্রবাহ শক্তিশালী হয়েছে।

এনএভিতেও ধারাবাহিক উত্থান

রেনাটার শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বা এনএভিও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।

সময় এনএভি
৩০ জুন ২০২৫ ৩০৫ টাকা ৪৯ পয়সা
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩১২ টাকা ১ পয়সা
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ৩১৩ টাকা ৪৮ পয়সা
৩১ মার্চ ২০২৬ ৩২০ টাকা ২ পয়সা

অর্থাৎ নয় মাসে শেয়ারপ্রতি এনএভি বেড়েছে ১৪ টাকা ৫৩ পয়সা।

এনএভি বৃদ্ধির পেছনে মূলত কোম্পানির জমাকৃত মুনাফা বা রিটেইনড আর্নিংসের ভূমিকা রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে রেনাটার বড় অগ্রযাত্রা

আর্থিক সূচকের পাশাপাশি রেনাটা এ সময়ে আন্তর্জাতিক ব্যবসা সম্প্রসারণেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে।

ইউরোপের ফিনল্যান্ডের বাজারে অ্যামান্টাডিন ১০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল ‘পারকাডিন’ চালু করেছে কোম্পানিটি। এটি ফিনল্যান্ডে অ্যামান্টাডিনের প্রথম ও একমাত্র নিবন্ধিত জেনেরিক হিসেবে বাজারজাত করা হয়েছে। একই পণ্য ডেনমার্ক, সুইডেন ও নরওয়ের বাজারেও চালু করা হয়েছে।

পণ্যটি রেনাটার ইইউ-জিএমপি অনুমোদিত রাজেন্দ্রপুর জেনারেল ফ্যাসিলিটিতে উৎপাদিত হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যের বাজারেও নতুন পণ্য

যুক্তরাজ্যের বাজারে হাইড্রোকর্টিসোন ৫ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট বাজারজাত শুরু করেছে রেনাটা।

এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের ওষুধ ও স্বাস্থ্যসেবা পণ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমএইচআরএ থেকে এসোমিপ্রাজল ২০ মিলিগ্রাম ও ৪০ মিলিগ্রাম গ্যাস্ট্রো-রেজিস্ট্যান্ট ট্যাবলেটের বিপণন অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি।

বিশ্বের অন্যতম কঠোর নিয়ন্ত্রিত ওষুধের বাজার যুক্তরাজ্যে এসব পণ্যের অনুমোদন রেনাটার আন্তর্জাতিক ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।

তুরস্কেও তৈরি হয়েছে নতুন বাজারের সুযোগ

রেনাটার রাজেন্দ্রপুর জেনারেল ফ্যাসিলিটি তুরস্কের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সংস্থার নিয়ন্ত্রক অনুমোদন পেয়েছে।

এর ফলে ওই কারখানায় উৎপাদিত ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলজাত ওষুধ তুরস্কের বাজারে নিবন্ধন ও সরবরাহের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

কোম্পানির প্রত্যাশা, আগামী এক বছরের মধ্যে তুরস্কে অ্যামান্টাডিনের অনুমোদনও পাওয়া যাবে।

ইউরোপে থাইরয়েডের ওষুধের অনুমোদন

লেভোথাইরক্সিন সোডিয়াম ট্যাবলেটের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডেসেন্ট্রালাইজড পদ্ধতিতে অনুমোদন পেয়েছে রেনাটা।

আয়ারল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও মাল্টায় এ অনুমোদন কার্যকর হয়েছে।

এর ফলে ইউরোপের একাধিক নতুন বাজারে থাইরয়েডের এই গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ সরবরাহের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

পর্তুগালে প্রথম চালান

ইউরোপে সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে পর্তুগালের বাজারে প্রথম থেরাপিউটিকস চালান পাঠিয়েছে রেনাটা।

চালানে ছিল রাজেন্দ্রপুরের ইইউ-জিএমপি অনুমোদিত কারখানায় উৎপাদিত অ্যামান্টাডিন ১০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল। পাশাপাশি মিরপুরের বিশেষায়িত কারখানায় উৎপাদিত ফ্লুড্রোকর্টিসোন ও ক্যাবারগোলিন ট্যাবলেটও ছিল।

এটি ইউরোপের বাজারে রেনাটার দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

মূলধন পুনর্গঠনেও সুফল

রেনাটার আর্থিক ফলাফলে মূলধন কাঠামো পুনর্গঠনেরও প্রভাব পড়েছে।

কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, পুনর্গঠন উদ্যোগের ফলে নিট অর্থায়ন ব্যয় কমেছে, যা সরাসরি ইপিএস বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে।

অন্যদিকে চলতি মূলধন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মজুদ ও পাওনায় আটকে থাকা নগদ কমানো এবং রাজস্ব থেকে অর্থ সংগ্রহ বাড়ানোর ফলে পরিচালন নগদ প্রবাহও শক্তিশালী হয়েছে।

ক্রেডিট রেটিংয়েও শক্ত অবস্থান

রেনাটার আর্থিক সক্ষমতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলো ক্রেডিট রেটিং।

আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি কোম্পানিটিকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণমানের ক্ষেত্রে ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’ রেটিং দিয়েছে। এ রেটিংয়ের দৃষ্টিভঙ্গি রাখা হয়েছে ‘স্থিতিশীল’।

এতে কোম্পানিটির আর্থিক সক্ষমতা ও ঋণ পরিশোধের সক্ষমতার বিষয়ে শক্ত অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

পছন্দনীয় শেয়ারের লেনদেনও চলছে

রেনাটার ইস্যু করা পছন্দনীয় শেয়ারের লেনদেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের এটিবি প্ল্যাটফরমে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে শুরু হয়েছে।

পছন্দনীয় শেয়ারের ইস্যু মূল্য ছিল প্রতিটি ১ হাজার ৯০০ টাকা। সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর না হওয়া পর্যন্ত এর ওপর ১৫ শতাংশ হারে বার্ষিক লভ্যাংশ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

তালিকাভুক্তির জন্য ইস্যুর আকার ৩২৫ কোটি টাকা। তৃতীয় বছর শেষে সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর শুরু হবে এবং চার ধাপে প্রতিটি রূপান্তর পর্বে নির্ধারিত মূল্যে পছন্দনীয় শেয়ার সাধারণ শেয়ারে রূপান্তর হবে।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ডিভিডেন্ড কত হবে?

রেনাটার সামনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের চূড়ান্ত ডিভিডেন্ড।

আগের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৪-২০২৫ সালে কোম্পানিটি ৫৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।

এবার প্রথম নয় মাসেই ইপিএস ১৫ টাকা ৯৫ পয়সা থেকে বেড়ে ২০ টাকা ৩৯ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে এনওসিএফপিএস ২১ টাকা ৭৬ পয়সা থেকে বেড়ে ২২ টাকা ৪০ পয়সা এবং এনএভি ৩০৫ টাকা ৪৯ পয়সা থেকে বেড়ে ৩২০ টাকা ২ পয়সায় উঠেছে।

স্বাভাবিকভাবেই এসব সূচকের উন্নতি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আগের বছরের ৫৫ শতাংশের চেয়ে বেশি ডিভিডেন্ড পাওয়ার প্রত্যাশা তৈরি করতে পারে।

তবে এখানেই সতর্কতার জায়গা রয়েছে। শুধু নয় মাসের ফলাফলের ভিত্তিতে ডিভিডেন্ড বাড়বে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। কারণ চূড়ান্ত ডিভিডেন্ড নির্ভর করবে পুরো বছরের নিরীক্ষিত মুনাফা, নগদ অবস্থান, ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, ব্যবসা সম্প্রসারণের প্রয়োজন এবং পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের ওপর।

১৭ অক্টোবরই মিলতে পারে বড় উত্তর

আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২৬ দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে রেনাটার পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় ৩০ জুন ২০২৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হবে।

তাই বিনিয়োগকারীদের নজর এখন মূলত এই বোর্ড সভার দিকে—নয় মাসের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের পর পুরো বছরের ইপিএস কোথায় দাঁড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ডিভিডেন্ড কত ঘোষণা করা হয়।

সব মিলিয়ে কী বলছে রেনাটার চিত্র?

সব মিলিয়ে রেনাটার বর্তমান চিত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ—মুনাফা বাড়ছে, নগদ প্রবাহ শক্তিশালী হচ্ছে এবং সম্পদমূল্য বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইউরোপ, যুক্তরাজ্য ও তুরস্কের মতো কঠোর নিয়ন্ত্রিত বাজারে প্রবেশ এবং নতুন ওষুধের অনুমোদন।

অর্থাৎ রেনাটার বর্তমান গল্প শুধু একটি ভালো আর্থিক ফলাফলের গল্প নয়; বরং দেশীয় ব্যবসার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে ভবিষ্যৎ আয়ের ভিত্তি তৈরির গল্পও।

এখন দেখার বিষয়, এই ধারাবাহিক উন্নতির প্রতিফলন ১৭ অক্টোবরের চূড়ান্ত আর্থিক ফলাফল ও ডিভিডেন্ড ঘোষণায় কতটা দেখা যায়।

সর্বশেষ