ঢাকা   বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

৫৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ব্রোকারেজ হাউসে আকস্মিক পরিদর্শনে যাচ্ছে বিএসইসি

শেয়ারবাজার

শেয়ারবিজনেস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৭:৪০, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

ব্রোকারেজ হাউসে আকস্মিক পরিদর্শনে যাচ্ছে বিএসইসি

পুঁজিবাজারের সাতটি ব্রোকারেজ হাউসে প্রায় ৪৫ হাজার বিনিয়োগকারীর ৫৬৩ কোটি ২২ লাখ টাকা ও শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর ব্রোকারেজ খাতে নজরদারি জোরদার করছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ডএক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত ও বিনিয়োগকারীদের সম্পদ সুরক্ষায় ঝুঁকিভিত্তিক আকস্মিক পরিদর্শনের জন্য আট সদস্যের একটি স্থায়ী যৌথ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

নতুন এই কমিটিতে বিএসইসি, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) দুজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। সদস্য মনোনয়নের জন্য চার প্রতিষ্ঠানের কাছে ইতোমধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে বিএসইসি।

কমিটি গঠনের পর স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলারদের কার্যালয়ে পূর্বঘোষণা ছাড়াই পরিদর্শন চালানো হবে। এ সময় কনসোলিডেটেড কাস্টমার্স অ্যাকাউন্ট (সিসিএ), গ্রাহকের অর্থ ও শেয়ার, মার্জিন ঋণ এবং নিয়ন্ত্রক বিধিবিধান পরিপালনসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরীক্ষা করা হবে।

ডিএসইর সাম্প্রতিক পরিদর্শন প্রতিবেদনে সাতটি ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধে প্রায় ৪৫ হাজার বিনিয়োগকারীর অর্থ ও শেয়ার আত্মসাতের অভিযোগ উঠে এসেছে। এতে মোট ঘাটতির পরিমাণ ৬৫০ কোটি টাকার বেশি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি আত্মসাতের অভিযোগের পরিমাণ ৫৬৩ কোটি ২২ লাখ টাকা।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েকটি ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানে ভুয়া বা ডুপ্লিকেট ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার ব্যবহার, বিনিয়োগকারীর অজ্ঞাতে শেয়ার বিক্রি এবং সিসিএ থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার মতো অনিয়ম ধরা পড়েছে। এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতেই এবার পরিদর্শন ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গত সপ্তাহে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের বর্তমান অবস্থা ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক আলোচনায় বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ওপর নজরদারি বৃদ্ধির কথা জানান।

তিনি বলেন, ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যার ধরন এক নয়। কোথাও নিয়ন্ত্রক বিধি লঙ্ঘনের বিষয় রয়েছে, আবার কোথাও কনসলিডেটেড কাস্টমার্স অ্যাকাউন্টে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই ঘাটতি দীর্ঘ সময় ধরে জমে থাকতে পারে।

মাসুদ খানের মতে, ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে ব্রোকারেজ হাউসে আকস্মিক পরিদর্শন চালানো প্রয়োজন। অতীতে সিসিএতে ঘাটতি শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান অর্থ পূরণ করলেও পরবর্তী সময়ে সেই অর্থ আবার সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তাই শুধু ঘাটতি পূরণ করানো নয়, পরবর্তীতেও তা ঠিক আছে কি না, সেটি নজরদারির আওতায় আনতে হবে।

যেভাবে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে

ডিএসইর পরিদর্শনে দেখা গেছে, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত ব্যাক-অফিস সফটওয়্যারের পরিবর্তে ভিন্ন বা ডুপ্লিকেট সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে। এতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিনিয়োগকারীদের সামনে এক ধরনের হিসাব উপস্থাপন করা হলেও প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থায় ভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। এই পদ্ধতিতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র আড়াল করে গ্রাহকের অর্থ ও শেয়ার সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

কিছু ক্ষেত্রে সিডিবিএলের ব্যবস্থায় বিনিয়োগকারীদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর বদলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নম্বর বসানোর তথ্যও পাওয়া গেছে। ফলে শেয়ার কেনাবেচা বা হিসাবসংক্রান্ত এসএমএস প্রকৃত মালিকের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তির কাছে পৌঁছেছে। এতে বিনিয়োগকারীর অজান্তে শেয়ার বিক্রি করে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ডিএসইর পৃথক প্রতিবেদনে সবচেয়ে বড় অঙ্কের ঘাটতির অভিযোগ রয়েছে মশিউর সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মোট ১৬১ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে সিসিএ ঘাটতি ৬৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং গ্রাহকের শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ ৯২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

তামহা সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে ১৩৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা, সালতা ক্যাপিটালের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে প্রায় ৮০ কোটি টাকার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। তবে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ক্রেস্টের ক্ষেত্রে ঘাটতির পরিমাণ ১০৫ কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাংকো সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে ৬৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা এবং শাহ মোহাম্মদ সগীর সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ব্লু চিপ সিকিউরিটিজ, যা আগে খুরশিদ সিকিউরিটিজ নামে পরিচিত ছিল, তার বিরুদ্ধেও সোয়া দুই কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

সফটওয়্যারেও কড়াকড়ি

বিনিয়োগকারীদের সম্পদ সুরক্ষায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব ব্রোকারেজ হাউসে অপরিবর্তনযোগ্য ব্যাক-অফিস সফটওয়্যার চালুর নির্দেশ দিয়েছিল বিএসইসি। তবে ডিএসইর অগ্রগতি প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২৮০টি প্রতিষ্ঠান নতুন সফটওয়্যার গ্রহণ করলেও ১১৮টিতে বিনিয়োগকারীর তথ্য স্থানান্তর এবং ১০২টিতে লেজার ও পোর্টফোলিও স্থানান্তর সম্পন্ন হয়নি।

এ ছাড়া ২৪টি ব্রোকারেজ হাউস তখনো পুরোনো সফটওয়্যার ব্যবহার করছিল। ১৩৫টি প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের লেনদেনের তথ্য এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে জানাচ্ছিল না।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থায় এমন দুর্বলতা থাকলে জালিয়াতির ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই নতুন সফটওয়্যার চালুর পাশাপাশি সেটি সঠিকভাবে কাজ করছে কি না এবং গ্রাহকের তথ্য ও হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষিত হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করা জরুরি।

ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নুজহাত আনোয়ার বলেন, অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের জালিয়াতি ঠেকাতে ডিএসই একটি বিশেষ সফটওয়্যার তৈরির কাজ করছে। এটি চালু হলে সিসিএর অবস্থা রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাবের সমন্বয় করা যাবে।

তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের তথ্যে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে সফটওয়্যারটি তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা দেবে। এতে দ্রুত জবাবদিহি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে আকস্মিক পরিদর্শনও করা যাবে।

ব্যবস্থা নেওয়া হলেও অর্থ ফেরত নিয়ে শঙ্কা

অভিযোগ ওঠা সাতটি ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধেই বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যবস্থা নিয়েছে। মশিউর সিকিউরিটিজে ১৬১ কোটি টাকার ঘাটতি শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন ও ডিপি কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ও শেয়ার ফেরতের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

তামহা সিকিউরিটিজের কার্যক্রম ২০২১ সালের নভেম্বরে বন্ধ করে দেয় ডিএসই। পরে বিএসইসির তদন্তে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. হারুনুর রশীদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রায় দুই হাজার বিনিয়োগকারীর অর্থ আত্মসাতের তথ্য পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট তাদের একাধিক ব্যাংক হিসাব জব্দ করে।

সালতা ক্যাপিটালের সিসিএতে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ডিএসইর আকস্মিক পরিদর্শনে ঘাটতি ধরা পড়ে। পরবর্তী তদন্তে ১০০ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার ও অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। ক্রেস্ট সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধেও বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

বাংকো সিকিউরিটিজের কার্যক্রম ২০২১ সালেই বন্ধ করা হয়। শাহ মোহাম্মদ সগীর সিকিউরিটিজের ট্রেডিং রাইটস এনটাইটেলমেন্ট (টিআরই) সনদ ২০১৯ সালে স্থগিত করে ডিএসই। অন্যদিকে ব্লু চিপ সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে গ্রাহকের শেয়ার বিক্রি, চেক ডিজঅনার এবং অর্থ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে মামলা চলমান রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আল-আমিন বলেন, গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ থাকা অধিকাংশ ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধেই মামলা চলায় বিনিয়োগকারীদের অর্থ উদ্ধারের সম্ভাবনা খুব বেশি নয়। একই সঙ্গে ইনভেস্টর প্রটেকশন ফান্ডে থাকা অর্থও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়।

তিনি বলেন, আইনি ও আর্থিক জটিলতার সমাধান না হলে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানা বা বিক্রয় প্রক্রিয়াও সহজ হবে না। তাই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঠেকাতে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে। একই সঙ্গে এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে। আত্মসাৎ করা অর্থ বিনিয়োগকারীদের ফেরত দেওয়ার জন্য স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যেভাবে হবে আকস্মিক পরিদর্শন

বিএসইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন যৌথ কমিটি ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে ব্রোকারেজ হাউস নির্বাচন করবে। পরিদর্শনের দিন সকালে কর্মকর্তারা প্রথমে কমিশনের কার্যালয়ে একত্রিত হবেন। এরপর সন্দেহজনক কার্যক্রম, সম্ভাব্য অনিয়ম এবং অন্যান্য ঝুঁকি সূচক বিবেচনা করে ঝুঁকিপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে একটি ব্রোকারেজ হাউস বেছে নেওয়া হবে।

নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের আশপাশের এলাকায় পরিদর্শন দলকে পাঠানো হবে। দল সেখানে পৌঁছানোর পরই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পরিদর্শনের বিষয়ে চিঠি দেওয়া হবে। এরপর কর্মকর্তারা সরাসরি ব্রোকারেজ হাউসের কার্যালয়ে গিয়ে যাচাই-বাছাই শুরু করবেন।

আগেভাগে পরিদর্শনের তথ্য না দেওয়ার এই পদ্ধতির লক্ষ্য হলো অনিয়ম আড়াল বা তথ্য পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত করা। এতে নথিপত্র বদল, সফটওয়্যারে কারসাজি কিংবা হিসাব গোপনের সম্ভাবনাও কমবে বলে মনে করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বিএসইসির একজন পরিচালক বলেন, ব্রোকারেজ হাউসের অনিয়ম ও গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ এবং বাজারে সক্রিয় বিনিয়োগকারীর সংখ্যার ওপরও পড়েছে।

তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ওপর নিয়মিত এবং ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের অর্থ ও শেয়ার সুরক্ষিত রাখাই এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য।

সর্বশেষ