ঢাকা   বুধবার ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে বাধা নয়, সহযোগিতার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

শেয়ারবাজার

শেয়ারবিজনেস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৪৫, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ

সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে বাধা নয়, সহযোগিতার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের

সঞ্চয়পত্র বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে এবং বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থাও জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ ওঠে যে, কিছু ব্যাংক সঞ্চয়পত্র বিক্রির অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও গ্রাহকদের বিভিন্ন উপায়ে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলো সঞ্চয়পত্র বিক্রির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে না। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সঞ্চয়পত্র রুলস, ১৯৭৭-এর অনুচ্ছেদ ৩ অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের কাছে সঞ্চয়পত্র বিক্রিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান এবং সেবার মান নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ব্যাংক শাখাগুলোর সঞ্চয়পত্র–সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করতে বলা হয়েছে। গ্রাহকদের তাৎক্ষণিক অভিযোগ গ্রহণের পদ্ধতি শাখার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন এবং প্রাপ্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্যও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো— পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র।

পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া অন্য সব সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয় ধরনের বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করতে পারেন। মেয়াদপূর্তি সাপেক্ষে এসব সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে ১১.৭৭ শতাংশ থেকে ১১.৯৮ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা পাওয়া যায়।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের পাশাপাশি দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও সঞ্চয়পত্র বিক্রি করা হয়।

সর্বশেষ