সূচকের শক্ত উত্থানের মধ্য দিয়ে সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজারে লেনদেন শেষ হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৭৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৫ পয়েন্টে।
দিনটিতে ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেয় ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ২৯০টির শেয়ারের দর বেড়েছে, যা বাজারে স্পষ্টভাবে ক্রেতাদের আধিপত্যের ইঙ্গিত দেয়। তীব্র চাহিদার কারণে ১৪টি কোম্পানি সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে বিক্রেতা সংকটে পড়ে লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত (হল্টেড) হয়ে যায়। ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় এসব তথ্য জানা গেছে।
হল্টেড হওয়া কোম্পানিগুলো হলো—
পিপলস লিজিং, প্রিমিয়ার লিজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স, বিআইএফসি, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, এপেক্স ট্যানারি, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, রহিম টেক্সটাইল, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, ফিনিক্স ফাইন্যান্স এবং জিএসপি ফাইন্যান্স।
এদিন এসব কোম্পানির শেয়ারে ক্রেতা থাকলেও বিক্রেতা না থাকায় লেনদেন স্থগিত রাখতে বাধ্য হয় ডিএসই।
দর বৃদ্ধির দিক থেকে শীর্ষে ছিল পিপলস লিজিং। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ পয়সা বা ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে দিনশেষে ৬২ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর বেড়েছে প্রিমিয়ার লিজিংয়ের। এদিন শেয়ারটির দর ৪ পয়সা বা ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৩ পয়সায় পৌঁছায়।
তৃতীয় অবস্থানে ছিল প্রাইম ফাইন্যান্স। কোম্পানিটির শেয়ারদর ১০ পয়সা বা ১০ দশমিক ২০ শতাংশ বেড়ে দিনশেষে দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮ পয়সায়।
অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে—
বিআইএফসি: ১০ পয়সা বা ১০ দশমিক ১০ শতাংশ,
ফারইস্ট ফাইন্যান্স: ৫ পয়সা বা ১০ শতাংশ,
এপেক্স ট্যানারি: ৬ টাকা ৫০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ,
ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স: ৬ টাকা ৮০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ,
প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স: ৪ টাকা ৮০ পয়সা বা ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ,
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং: ৪ পয়সা বা ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ,
রহিম টেক্সটাইল: ২০ টাকা বা ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ,
হাইডেলবার্গ সিমেন্ট: ১৮ টাকা ৯০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ,
ফার্স্ট ফাইন্যান্স: ২০ পয়সা বা ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ,
ফিনিক্স ফাইন্যান্স: ২০ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ,
জিএসপি ফাইন্যান্স: ১০ পয়সা বা ৭ দশমিক ১৪ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী সময় ঘনিয়ে আসা, সূচকের শক্ত অবস্থান এবং বড় ও মাঝারি মূলধনি শেয়ারে একযোগে চাহিদা বাড়ায় বাজারে এই ক্রেতা-নিয়ন্ত্রিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
























