ঢাকা   শুক্রবার ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২

বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও মুনাফা তুলে নেওয়ায় চাপের মুখে  শেযারবাজার

শেয়ারবাজার

শেয়ারবিজনেস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১৭, ৫ মার্চ ২০২৬

সর্বশেষ

বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও মুনাফা তুলে নেওয়ায় চাপের মুখে  শেযারবাজার

 বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধাবস্থার অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাব পড়েছে দেশের শেয়ারবাজারেও। এ পরিস্থিতির মধ্যে রমজান মাসে অনেক বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেওয়ায় বাজারে চাপ আরও বেড়েছে। সব মিলিয়ে সপ্তাহজুড়ে শেয়ারবাজারে খুব একটা ইতিবাচক পরিবেশ দেখা যায়নি।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, চলতি সপ্তাহে মাত্র একদিন ছাড়া বাকি দিনগুলোতে সূচক ও লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে তারা মনে করেন, বর্তমান অস্থিরতা স্থায়ী নয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং বাজারও আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।


তাদের পরামর্শ, আতঙ্কিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিবর্তে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা উচিত। যাদের হাতে পর্যাপ্ত পুঁজি রয়েছে, তারা ভালো মৌলভিত্তির শেয়ার কিনলে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮২.১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৪০.৮৩ পয়েন্টে। এদিন অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ১৩.৭৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৮.৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ৩৩.৮৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ১১.৫১ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৫২টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩০৮টির কমেছে এবং ৩৩টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকেও পতন দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে প্রায় ৪৫৯ কোটি ৪২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল প্রায় ৫৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ১২২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।


অন্যদিকে দেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই প্রবণতা দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার সেখানে মোট ৪১ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪১টির দর বেড়েছে, ১২৬টির কমেছে এবং ১৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৯২.৪৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮২৫.১৩ পয়েন্টে। এর আগের দিন সূচকটি ৭৭.৬৮ পয়েন্ট কমেছিল।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে এলে শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রবণতা আবারও দেখা দিতে পারে।

সর্বশেষ