facebook twitter You Tube rss bangla fonts

ঢাকা, ১৭ এপ্রিল বুধবার, ২০২৪

Walton

শেয়ারবাজারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার-পরবর্তী অবস্থা


১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রবিবার, ১২:০২  এএম

আবু আহমেদ

শেয়ার বিজনেস24.কম


শেয়ারবাজারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার-পরবর্তী অবস্থা
অধ্যাপক আবু আহমেদ। ছবি : সংগৃহীত

শেয়ারবাজারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার-পরবর্তী যে উত্থান-পতন হচ্ছে, সেটাই স্বাভাবিক। পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইস-পরবর্তী উত্থান-পতনটাই স্বাভাবিক। প্রথম দিকে এটা কিছুটা পড়বে, কারেকশন হবে—এটাই নিয়ম। কারণ বহুদিন ধরে এক জায়গায় আটকে ছিল, এর মধ্যে অনেক কম্পানির আর্থিক অবস্থা দুর্বল হয়েছে।

অনেক কম্পানি ডিভিডেন্ড দিতে পারেনি। দিলেও নামমাত্র দিয়েছে। ফ্লোর প্রাইসের কারণে এসব স্টকের মূল্য নিচের দিকে অ্যাডজাস্ট হতে পারেনি। কারণ ফ্লোর প্রাইসে বাঁধা ছিল মূল্য।

এখন ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পরে এগুলো ধীরে ধীরে নিচের দিকে অ্যাডজাস্ট হচ্ছে—এটাই স্বাভাবিক; হওয়ারও কথা।

অর্থনীতির যেকোনো সূত্র বলে, কম্পানির অবস্থা দুর্বল হলে অর্থাৎ আর্থিক অবস্থা দুর্বল হলে, তার শেয়ারের দাম পড়বে। তাই পড়ছে। ভালো কম্পানির শেয়ারের দাম কোনোক্রমেই পড়েনি।

যেসব কম্পানির আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল, সেগুলোর কোনোটার পড়েনি; বরং বেড়েছে। সম্প্রতি একদিন যে ৭৯ পয়েন্ট পড়ল—ওটার মূল কারণ ছিল ফোর্সড সেল। ফোর্সড সেল হলো ব্রোকার হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো তাদের মার্জিন লোনকে সমন্বয় করতে গিয়ে তারা গ্রাহকদের শেয়ারগুলো বিক্রি করেছে। অর্থাৎ ঋণ সমন্বয় করতে গিয়ে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে তারা শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছে। ফলে শেয়ারের সাপ্লাই বেড়েছে।

শেয়ারের সাপ্লাই যখন বেড়েছে, তখন এগুলো এত দামে কেনার কেউ ছিল না। সে জন্য দাম বেশ পড়ে যায়। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই।

লক্ষ করলে দেখা যাবে, ফ্লোর প্রাইস আরোপের আগে যেসব কম্পানিতে শেয়ারের বিপরীতে মার্জিন লোন দেওয়া হতো অর্থাৎ যেসব শেয়ার মার্জিন লোন নিয়ে কেনা হতো বা হয়েছে, সেগুলোর দামই বেশি পড়েছে। অন্য শেয়ার, যেগুলোর বিপরীতে মার্জিন লোন নেওয়া হতো বা যারা দু-তিন দিনের মধ্যে লাভ ঘরে তুলতে চেষ্টা করত বা লোকসান হলে বিক্রি করে দিত, সেসব শেয়ারই পড়েছে। প্রকৃত বিনিয়োগকারী, যারা দীর্ঘ মেয়াদের জন্য বিনিয়োগ করত, তাদের শেয়ারের দাম তেমন পড়েনি। এটা হচ্ছে গত এক সপ্তাহে অর্থাৎ মার্জিন তোলার পর থেকে। যেমন—ব্যাংকের শেয়ার তেমন কিছু পড়েনি। কিছু বহুজাতিক কম্পানির শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর দাম তেমন পড়েনি; বরং বেড়েছে। ব্যাংকের শেয়ারের দাম বেড়েছে। টেক্সটাইল বা লেদার সেক্টরে পড়েছে, পাওয়ার সেক্টরে পড়েছে; যেগুলো আসলে মার্জিন লোন ছিল। অন্যদিকে অনেক কম্পানি ভালো কিছু করতে পারেনি। ভালো কিছু দিতেও পারেনি, দেওয়ার সম্ভাবনাও নেই; সেগুলোর মূল্য পড়েছে।

শেয়ারবাজারের ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার-পরবর্তী অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়। আমাদের এক্সচেঞ্জ রেট বেড়ে গেছে। বিদেশিরা বিনিয়োগ করছে না। মুদ্রার বিনিময় হার বাংলাদেশি টাকার বিরুদ্ধে যাচ্ছে। ডলারের বিপরীতে মূল্য হারাচ্ছে টাকা। এসব কারণে বিদেশিরা বিনিয়োগ করছে না। তারা চায় বাংলাদেশে শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা। তারা আবার বাংলাদেশের অর্থনীতিও দেখে। অর্থনীতিটা যদি ঠিকমতো কাজ না করে, ঠিকমতো ওপরের দিকে না যায়, তাহলে তারা সহজে এখানে বিনিয়োগ করতে চাইবে না।

কোনো দুর্বল অর্থনীতিতে বিদেশিরা বিনিয়োগ করতে চায় না। এসব কারণে শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ নেই বললেই চলে। এমনকি আমাদের অর্থনীতির অন্য সেক্টরেও বিদেশি বিনিয়োগ এখন নেই—গত এক বছর থেকে এগুলো অনেকটা নেই বললেই চলে। ফ্লোর প্রাইস দেওয়ার কারণে তারা বিক্রিও করতে পারেনি, অর্থ নিতেও পারেনি। এখন হয়তো তারাও বিক্রি করছে। ১২টি কম্পানির শেয়ার থেকে এখনো ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়নি। সেগুলোতে বিদেশি বিনিয়োগ বেশি আছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন মনে করেছে যে এগুলো যদি বিদেশিরা বিক্রি করে দেয়, তাহলে সেগুলোর দাম যদি পড়ে যায়; তাহলে সূচক পড়ে যাবে। কারণ সেগুলোর ভাসমান শেয়ার বেশি—সেগুলোর দাম যদি কমে যায়, তাহলে ইনডেক্সে মূল্য সূচকের ব্যাপকভাবে পতন হয়। সে জন্য সেগুলো থেকে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করা হয়নি। বাকিগুলো থেকে দুই দফা ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হয়েছে।

প্রথম থেকে আমি গণমাধ্যমে ফ্লোর প্রাইসের বিরোধিতা করে আসছিলাম। ফ্লোর প্রাইস দেওয়ার কারণে ডিমান্ড সাপ্লাইয়ের যে একটা ফ্রি মুভমেন্টে, মানে চাহিদা সরবরাহের মাধ্যমে মূল্য স্থির হওয়ার যে মেকানিজম, সেটা ব্যাহত হতো। বিশ্বের কোথাও ফ্লোর প্রাইস বলে কিছু নেই, বাংলাদেশে দিয়েছে। আমি সব সময় বলে এসেছি, এটা একটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। এটা তুলতে দেড় বছর কাটিয়ে দিয়েছে। এর মধ্যে ব্রোকারেজ হাউসগুলো প্রতিবাদ করা শুরু করেছে। কারণ টার্ন ওভার ৪০০ কোটি টাকার নিচে চলে গিয়েছিল, যেটা সাধারণত এক হাজার কোটি টাকার ওপরে থাকার কথা। এ জন্য ব্রোকার হাউসগুলোর অফিস চালানোর খরচ উঠছিল না। এ জন্য গত তিন-চার মাস থেকে তারা ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পক্ষে সরব হয়েছিল।

কিছু ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বুঝে হোক বা না বুঝে হোক, ফ্লোর প্রাইসের পক্ষে ছিল। তাদের আর্গুমেন্ট ছিল যে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার করলে মূল্য পড়ে যাবে এবং তাদের মূলধন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাদের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফ্লোর প্রাইস আজ হোক বা কাল হোক, তুলতে তো হবেই। তাদের মধ্যে কিছু মানুষের আরেকটা যুক্তি ছিল বা তারা বলতে চাইত, মার্কেট ছয় হাজার থেকে আরো ২০০ বা ৩০০ পয়েন্ট ওপরে উঠলে ফ্লোর প্রাইস তুলে নিলে ভালো হতো। কিন্তু এখানে আমার মতে বা অন্যদের প্রশ্ন হচ্ছে যে ২০০ বা ৩০০ পয়েন্ট তুলবে কে? তোলার জন্য যে ফান্ডের প্রয়োজন বা অর্থের যে প্রবাহ এখানে আসা উচিত, সেটা তো কোনো উৎস থেকে আসছে না।

ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) একসময় শেয়ারবাজারকে সমর্থন দিতে পারত। বেচাকেনার মাধ্যমে ওপরে সাপোর্ট দিতে পারত। এবং ইচ্ছা করলে তারা সূচক ওপরে তুলতে পারত। কিন্তু আইসিবির সেই সামর্থ্য এখন নেই। ওদের অর্থ নেই এখন। ওরা নিজেরাই শেয়ার বিক্রেতা। কারণ তারা যে ঋণ করেছে, ঋণ করে তিন-চার বছর আগে শেয়ার কিনেছে—যাদের থেকে ঋণ করেছে, তারা এখন অর্থ ফেরত চাচ্ছে। এখন অর্থ ফেরত দিতে গেলে তো আইসিবির শেয়ার বিক্রি করতে হবে। তাই বর্তমানে মন্দা বাজারেও তারা শেয়ার বিক্রেতা। সে জন্যই শেয়ারের মূল্যসূচক পড়ছে। মার্জিন লোন যারা দিয়েছিল, তাদের শেয়ার বিক্রি করছে মার্চেন্ট ও ব্রোকারেজ হাউসগুলো। আইসিবি নিজেও শেয়ার বিক্রেতা। এই অবস্থায় শেয়ারবাজারে মূল্যের সাময়িক পতন হতে পারে।

আমরা আশা করি, এটা ঠিক হয়ে যাবে। মানে যেগুলো পেন্ডিং বা অবিক্রীত ছিল, সেগুলো শেষ হয়ে গেলে বাজার মোটামুটি স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে। কিছুটা বাজার নিম্নদিকে যেতে পারে আবার না-ও যেতে পারে। গেলেও বড়জোর দু-তিন মাস। এরপর ঠিক হয়ে যাবে। তাই এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো আমি কিছু দেখি না। এটা বিনিয়োগকারীদের স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে হবে। শেয়ারবাজারের উত্থান-পতন স্বাভাবিক, সারা পৃথিবীতে তা-ই হয়। বাংলাদেশেও তা-ই হয়। যারা মনে করে, শেয়ারবাজারে মূল্য ওপরের দিকে যেতে হবে, সূচক ওপরের দিকে উঠতে হবে, তাদের জন্য শেয়ারবাজার নয়। কারণ কোনো মার্কেটেই সূচক শুধু ওপরের দিকে যেতে থাকে না; এটা নিচের দিকেও যায়।

শেয়ারবাজারের মূল সমস্যা হচ্ছে ভালো শেয়ারের অভাব। ভালো কম্পানি লিস্টিংয়ে আসেনি। সর্বশেষ টেলিফোন কম্পানি রবি এসেছিল, কিন্তু রবির ভালো কোনো ইনকাম নেই। রবি মানুষকে ভালো কিছু দিতে পারেনি। ওটা খুব নিচে গিয়ে ফ্লোর প্রাইসে বসে আছে।

এখন কথা হচ্ছে, ভালো কম্পানির শেয়ার বাজারে আনার উদ্যোগও নেওয়া হয়নি কখনো। নতুন অর্থমন্ত্রী এসেছেন। এখন তিনি যদি তাঁর নেতৃত্বে নতুন করে উদ্যোগ নেন, তাহলে কিছু একটা হতে পারে। এখানে তিনটা প্রতিষ্ঠানের প্রচেষ্টা দরকার। এক. সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। দুই. ন্যাশনাল বোর্ড অব রেভিনিউ, মানে রাজস্ব বোর্ড এবং তিন. অর্থ মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের অবশ্য সমর্থন দরকার হবে। এরা যদি উদ্যোগ নেয়, তাহলে যেসব মাল্টিন্যাশনাল কম্পানি শেয়ারবাজারের বাইরে আছে; যেমন—ইউনিলিভার, নেসলে, মেটলাইফ, ব্যাংকের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। এরা লিস্টিংয়ের মধ্যে এলে শেয়ারবাজারের চেহারা অনেক পরিবর্তন হবে। শেয়ারবাজারের অবস্থা অনেক ভালো হবে। উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজন বিনিয়োগের একটা ভালো সুবিধা পাবে। এ দেশের জনগণকে মালিকানা না দিয়ে কিন্তু তারা বড় বড় ব্যবসা করছে; হাজারো কোটি টাকার ব্যবসা করছে। পৃথিবীর কোথাও এভাবে অনুমোদন দেওয়া হয় না। ভারতে যে নেসলে, ইউনিলিভার আছে, তারা সবাই মুম্বাই শেয়ারবাজারে লিস্টেড। শুধু বাংলাদেশে নেই এগুলো। এগুলোকে শেয়ারবাজারে আনার জন্য উচ্চ পর্যায় থেকে কখনো চেষ্টাও করা হয়নি। সত্যি কথা বলতে, তারা নিজেরাও ইচ্ছা করে আসেনি। তারা আসবে না, তারা মালিকানা দেওয়া পছন্দ করে না। স্থানীয়ভাবে ব্যবসা করছে তারা, কিন্তু জনগণকে তারা স্ব-উদ্যোগে মালিকানা দেবে, এটা আশা করা ঠিক নয়। ওদের আনতে হবে। তাহলে মার্কেট ভালো হবে। এমনি শুধু কতগুলো দুর্বল কম্পানি শেয়ারবাজারে রেখে এগুলোকে জুয়া খেলার মাধ্যমে দাম বাড়ানো, তারপর পড়ে যাওয়া—এগুলো ঠিক নয়।

দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য ভালো কম্পানির শেয়ার দরকার। হাতে গোনা কয়েকটা ভালো শেয়ার আছে। এরা জনগণকে যথেষ্ট ভালো মুনাফাও দিয়েছে। এসব কম্পানি যদি মার্কেটে না থাকে, তাহলে তো এটা মার্কেট থাকবে না। খামোখা কতগুলো দুর্বল কম্পানি রেখে জুয়া খেলা! এটার পেছনে মার্জিন লোন কাজ করে আবার। ওরা ঋণ বিক্রেতা। কিছু ব্যাংক আছে, মার্চেন্ট ব্যাংক; ওরা ঋণ দেয় শেয়ার কেনার জন্য। যারা তিন-চার দিনের মধ্যে মুনাফা করছে, লাভ-লোকসান হিসাব করছে; তারাই ঋণ নেয়। ওরা সংখ্যায় খুব কম। কিন্তু ওরা আবার জুয়া খেলায় লিপ্ত হয়। তখন অনেককে বলতে শোনা যায়, এই শেয়ারের দাম তো এত ওঠার কথা নয়, এই শেয়ারের দাম তো এরা ওঠাচ্ছে। এটাতে কিছু করার থাকে না। যা হোক, যারা জুয়া খেলতে চায়, তারা খেলবেই। কিন্তু যারা প্রকৃত বিনিয়োগকারী তাদের জন্য ভালো শেয়ারের জোগান দরকার। ভালো শেয়ারের জোগান দিলে অর্থনীতির ভালো একটা অংশ হিসেবে শেয়ারবাজারের ভিত শক্ত হবে।

এখানে অনেক সমস্যা আছে। তারা তাদের কমপ্লেইনের কথা বলে যে এখানে পুঁজি নেওয়া এত সহজ নয়, অনেক দেরি হয়ে যায়। অনেক কাগজপত্র দিতে হয়। আবার অনেক জবাবদিহির মধ্যে পড়তে হয়। বছরে চারবার হিসাব দিতে হয়। তা বললেও তো ৩৮০টা কম্পানি লিস্টিংয়ে আছে। তারা তো ওগুলো মেনেই এসেছে। আর বাকিগুলোকেও ওভাবে মেনে আসতে হবে। অথবা সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করতে পারে। এটা করতে পারে এনবিসিসিএ, সেটা করতে পারে মেট্রোপলিটন চেম্বার। সরকারের সঙ্গে বসে আলাপ করতে পারে যে আমাদের এখানে পোষায় না। তাদের কী হলে পোষায়? সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন রেগুলেট করতে পারে, তারা বলতে পারে যে তাদের হাতে ওই কম্পানিগুলো লিস্টিংয়ে আনার ক্ষমতাটা নেই। কারো হাতেই নেই। ব্যবসা তো স্বাধীন। তাই ভালো কম্পানি লিস্টিংয়ে না আনলে ভালো শেয়ারবাজার আমরা পাব না।

লেখক : অর্থনীতিবিদ এবং সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

(সৌজন্যে দৈনিক কালের কণ্ঠ)

শেয়ারবিজনেস24.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:

শেয়ার বিজনেস কী? -এর সর্বশেষ