শেয়ারবাজারে ওষুধ ও রসায়ন খাতে তালিকাভুক্ত ৩৪টি কোম্পানির মধ্যে এ পর্যন্ত ২৯টি কোম্পানি অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৫ প্রান্তিকের অনিরিক্ষীত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী আলোচ্য সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ১৮টি কোম্পানির। একই সময়ে আয় কমেছে ৫টি এবং ধারাবাহিক লোকসানে রয়েছে ৫টি কোম্পানির। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আয় বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- অ্যাডভান্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই), এসিআই ফরমুলেশন, একমি ল্যারেটরিজ, এমবি ফার্মা, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, ইবনে সিনা, ইন্দোবাংলা ফার্মা, কোহিনূর কেমিক্যাল, ম্যারিকো বাংলাদেশ, নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস, ওরিয়ন ইনফিউশন, ফার্মা এইডস, রেনেটা, সালভো অর্গানিক ইন্ডাস্ট্রিজ, সিলকো ফার্মা, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস এবং ওয়াটা কেমিক্যালস।
অ্যাডভান্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই)
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৩ টাকা ১৭ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৭ টাকা ৯৯ পয়সা।
এসিআই ফরমুলেশন
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৬৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪ টাকা ৪০ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৫০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৭৫ পয়সা।
একমি ল্যারেটরিজ
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৮৬ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৫ টাকা ৪৭ পয়সা।
এমবি ফার্মা
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৬২ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩২ পয়সা।
এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭২ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৫৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৯৬ পয়সা।
বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২ টাকা ৪৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৯১ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ৭৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৩ টাকা ৪৭ পয়সা।
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ২১ পয়সা ।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭ টাকা ৮৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা।
ইবনে সিনা
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮ টাকা ২০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬ টাকা ৭৫ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৫ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৯ টাকা ৪৭ পয়সা।
ইন্দোবাংলা ফার্মা
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস )হয়েছে ১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে লোকসান ছিল ৫ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি লোকসান ছিল ৮ পয়সা।
কোহিনূর কেমিক্যাল
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১৮ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ৬ টাকা ২৫ পয়সা।
ম্যারিকো বাংলাদেশ
অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর ২০২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৫৭ পয়সায়। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৪ টাকা ৩৪ পয়সা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে অর্থাৎ ৯ মাসে (এপ্রিল-ডিসেম্বর ২০২৫) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৫৮ টাকা ৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৪৫ টাকা ৬৫ পয়সা।
নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৩ টাকা ৩৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা।
ওরিয়ন ইনফিউশন
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৯ পয়সা।।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা।
ফার্মা এইডস
দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ২৮ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ৫ টাকা ৬৬ পয়সা আয় হয়েছিল।
অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিকে বা ৬ মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর’২৫) প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ১৪ টাকা ৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে আয় ছিলো ১১ টাকা ৩২ পয়সা।
রেনেটা
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ইপিএস ছিল ৫ টাকা ৬৪ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৩ টাকা ৫৮ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ১০ টাকা ৮৩ পয়সা।
সালভো অর্গানিক ইন্ডাস্ট্রিজ
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২২ পয়সা।
সিলকো ফার্মা
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১০ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২৭ পয়সা।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ২০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি ইপিএস ছিল ৭ টাকা ৪৫ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৬ টাকা ৫৬ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে আয় ছিল ১৪ টাকা ৩২ পয়সা।
ওয়াটা কেমিক্যালস
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ১৩ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১১ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪২ পয়সা।
ওষুধ ও রসায়ন খাতে আয় কমেছে ৫ কোম্পানির
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৩৪টি কোম্পানির মধ্যে এ পর্যন্ত ২৯টি কোম্পানি অক্টোবর-ডিসেম্বর’২৫ প্রান্তিকের অনিরিক্ষীত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী আলোচ্য সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) কমেছে ৫টি কোম্পানির। একই সময়ে আয় বেড়েছে ১৮টি এবং ধারাবাহিক লোকসানে রয়েছে ৫টি কোম্পানি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আয় কমে যাওয়া কোম্পানিগুলো হলো- অ্যাডভেন্ট ফার্মা, ফার কেমিক্যাল, জেএমআই হসপিটাল, জেএমআই সিরিঞ্জ এবং টেকনো ড্রাগস।
অ্যাডভেন্ট ফার্মা
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৮ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩৪ পয়সা।
ফার কেমিক্যাল
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮৫ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১৬ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩২ পয়সা।
জেএমআই হসপিটাল
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৫১ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৬ পয়সা।
জেএমআই সিরিঞ্জ
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৯৮ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭১ পয়সা।
টেকনো ড্রাগস
অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪০ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ৪৮ পয়সা।
অন্যদিকে চলতি অর্থবছরের দুই প্রান্তিকে (জুলাই’২৫-ডিসেম্বর’২৫) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৭ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮ পয়সা।
























