facebook twitter You Tube rss bangla fonts

ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি রবিবার, ২০২৪

Walton

মূল্যসংবেদনশীল তথ্য জানালো এমজেএল বাংলাদেশ


২৯ আগস্ট ২০২৩ মঙ্গলবার, ১১:২৪  এএম

ডেস্ক রিপোর্ট

শেয়ার বিজনেস24.কম


মূল্যসংবেদনশীল তথ্য জানালো এমজেএল বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমরাইল মৌজায় ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য একটি শিল্প প্লট কিনবে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমজেএল বাংলাদেশ লিমিটেড। জমি কেনার বিষয়টি এরই মধ্যে কোম্পানিটির পর্ষদে অনুমোদন করা হয়েছে। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে মূল্যসংবেদনশীল এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানিটি।

জানা যায়, শিল্প প্লটটির আকার ৫০ বিঘা। এ জমি কেনায় ব্যয় হবে ৯৫ কোটি টাকা। জমি কেনার জন্য বিক্রেতার সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে এমজেএল বাংলাদেশ। জমিটি ভবিষ্যতে কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য কাজে লাগানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) এমজেএল বাংলাদেশের সমন্বিত আয় হয়েছে ২ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ হাজার ৯৯৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির আয় বেড়েছে ৩৫০ কোটি টাকা বা ১৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। আলোচ্য প্রথম তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৬১ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৫৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির সমন্বিত নিট মুনাফা বেড়েছে ৮ কোটি টাকা বা ৫ শতাংশ। এ প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৪৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪ টাকা ৮১ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৩ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৮০৪ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭২৫ কোটি টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৪১ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৫ কোটি টাকা। সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএল বাংলাদেশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৪০ টাকা ৫৫ পয়সায়, যা আগের বছর শেষে ছিল ৩৯ টাকা ৬৯ পয়সা।

২০২০-২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএলবিডি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫২ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরে জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্যও ৪৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পায় শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৪৫ শতাংশ নগদের পাশাপাশি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

ডিএসইতে গতকাল এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ৯১ টাকা ৫০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৮৬ টাকা ৭০ থেকে ৯৫ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

 

শেয়ারবিজনেস24.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: