টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। সূচক বৃদ্ধির পাশাপাশি টাকার অঙ্কে লেনদেনও বেড়েছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে দিনশেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫৫৩ পয়েন্টে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উত্থানে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে স্বস্তি ফিরেছে। সূচকের এই অগ্রযাত্রায় নেতৃত্ব দিয়েছে ১০টি প্রভাবশালী কোম্পানি, যারা সম্মিলিতভাবে সূচকে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। লঙ্কাবাংলা অ্যানালাইসিস পোর্টাল সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূচকে নেতৃত্ব দেওয়া ১০ কোম্পানি
সূচক বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখা কোম্পানিগুলো হলো—
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
দ্য সিটি ব্যাংক
পূবালী ব্যাংক
প্রাইম ব্যাংক
ব্র্যাক ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ
ইস্টার্ন ব্যাংক
অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ
যমুনা ব্যাংক
রেনেটা
এই ১০ কোম্পানি সম্মিলিতভাবে ডিএসইএক্স সূচকে প্রায় ৩১ পয়েন্ট যোগ করেছে।
স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের শীর্ষ অবদান
তালিকায় সর্বোচ্চ অবদান রেখেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস। কোম্পানিটি একাই সূচকে ৮ পয়েন্টের বেশি যুক্ত করেছে। দিনশেষে শেয়ারদর ৩ টাকা ৮০ পয়সা বা ১.৬৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৮ টাকায়। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির দর ২২৪ টাকা ১০ পয়সা থেকে ২২৮ টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। এদিন কোম্পানিটির মোট ১৩ কোটি ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ব্যাংক খাতের শক্ত অবস্থান
সূচকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান রেখেছে দ্য সিটি ব্যাংক, যা একাই সূচকে প্রায় ৬ পয়েন্ট যোগ করেছে। ব্যাংকটির শেয়ারদর ১ টাকা ৫০ পয়সা বা ৫.১৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ টাকা ৬০ পয়সায়। দিনশেষে ব্যাংকটির ৪৫ কোটি ৫৭ লাখ ৯০ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা পূবালী ব্যাংক সূচকে প্রায় ৪ পয়েন্ট যোগ করেছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ১ টাকা বা ২.৫৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪০ টাকায়। এদিন ব্যাংকটির ২ কোটি ৭৭ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এ ছাড়া—
প্রাইম ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক — প্রায় ৩ পয়েন্ট করে
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ — ২ পয়েন্টের বেশি
ইস্টার্ন ব্যাংক — প্রায় ২ পয়েন্ট
অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ — প্রায় ২ পয়েন্ট
যমুনা ব্যাংক — ১ পয়েন্টের বেশি
রেনেটা — প্রায় ১ পয়েন্ট
সূচকে যুক্ত করেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী ও প্রভাবশালী এসব কোম্পানির ইতিবাচক পারফরম্যান্সই আজকের বাজার উত্থানের মূল চালিকাশক্তি। ব্যাংক ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের শেয়ারগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ বাজারে আস্থার বার্তা দিচ্ছে বলেও মনে করছেন তারা।
























