তালিকাভুক্ত কোম্পানি রবি আজিয়াট সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের তাদের ব্যাংক হিসাব ও ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ করার অনুরোধ জানিয়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৬ মার্চ ২০২৬ নির্ধারিত “রেকর্ড ডেট”-এর আগে সংশ্লিষ্ট ডিপোজিটরি পার্টিসিপ্যান্ট (ডিপি)-এর মাধ্যমে ব্যাংক হিসাব নম্বর, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
একই সঙ্গে কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের তাদের বিও (BO) হিসাবের সঙ্গে ১২ অঙ্কের ট্যাক্সপেয়ার্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ই-টিন) সংযুক্ত করার অনুরোধ জানিয়েছে। এটিও রেকর্ড ডেটের আগেই নিজ নিজ ডিপির মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।
কোম্পানি জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিও হিসাবে বৈধ ১২ অঙ্কের ই-টিন হালনাগাদ না করলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারের নগদ লভ্যাংশ বিতরণের ক্ষেত্রে অগ্রিম আয়কর (AIT) ১৫ শতাংশ হারে কেটে রাখা হবে। যেখানে নিয়ম অনুযায়ী ই-টিন হালনাগাদ থাকলে ১০ শতাংশ হারে কর কর্তন প্রযোজ্য হয়। অর্থাৎ ই-টিন সংযুক্ত না থাকলে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ বেশি কর কাটা হবে।
এছাড়া মার্জিন ঋণগ্রহীতা গ্রাহকদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাতে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসগুলোর প্রতিও অনুরোধ জানিয়েছে কোম্পানিটি। ১৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে যারা রবি’র শেয়ার ধারণ করবেন—এমন মার্জিন লোনধারী শেয়ারহোল্ডারদের একটি বিস্তারিত বিবরণ এমএস এক্সেল ফরম্যাটে পাঠাতে হবে। এতে শেয়ারহোল্ডারের নাম, বিও আইডি নম্বর, গ্রাহকভিত্তিক শেয়ার ধারণের পরিমাণ, প্রাপ্য মোট (গ্রস) লভ্যাংশ, প্রযোজ্য করহার, বৈধ ১২ অঙ্কের ই-টিন নম্বর এবং কর পরবর্তী নিট লভ্যাংশের পরিমাণ উল্লেখ থাকতে হবে।
এই তথ্য কোম্পানির অফিসিয়াল ই-মেইল ঠিকানা ([email protected])-এ আগামী ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে তাদের ব্যাংক হিসাবের নাম, হিসাব নম্বর, রাউটিং নম্বরসহ প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং তথ্য সরবরাহ করার অনুরোধও জানানো হয়েছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য হালনাগাদ করলে লভ্যাংশ বিতরণ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন হবে এবং অতিরিক্ত কর কর্তনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হবে।
























