আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) টানা সূচক বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে ইতিবাচক ধারায় লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারে। দিনের শুরু থেকেই সূচকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়, যা লেনদেন শেষ হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। তবে সূচক বাড়লেও দিনশেষে টাকার অঙ্কে মোট লেনদেন কিছুটা কমেছে।
এদিন দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ২০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৯৬৭ পয়েন্টে। সূচকের এই উত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছে চারটি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি। লঙ্কাবাংলা অ্যানালাইসিস পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, এসব কোম্পানি সম্মিলিতভাবে ডিএসইর সূচকে ১০ পয়েন্টের বেশি অবদান রেখেছে।
সূচক বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি। এদিন কোম্পানিটি একাই ডিএসইর সূচকে প্রায় ৭ পয়েন্ট যোগ করে। লেনদেন শেষে স্কয়ার ফার্মার শেয়ারদর ৩ টাকা ৭০ পয়সা বা ১.৮০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৯ টাকায়। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির দর ২০৫ টাকা থেকে ২০৯ টাকা ৩০ পয়সা পর্যন্ত ওঠানামা করে। দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
সূচকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান রেখেছে এসিআই লিমিটেড। আজ কোম্পানিটি ডিএসইর সূচকে ১ পয়েন্টের বেশি যোগ করেছে। এদিন এসিআইয়ের শেয়ারদর ৮ টাকা ৫০ পয়সা বা ৪.১৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১২ টাকা ১০ পয়সায়। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির দর ২০৪ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ২১৩ টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করে। দিনশেষে এসিআই লিমিটেডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৩ কোটি ৮৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
সূচকে তৃতীয় সর্বোচ্চ অবদানকারী প্রতিষ্ঠান রেনেটা পিএলসি। এদিন কোম্পানিটি ডিএসইর সূচকে প্রায় ১ পয়েন্ট যোগ করে। রেনেটার শেয়ারদর ৫ টাকা ৫০ পয়সা বা ১.৪৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮৯ টাকা ১০ পয়সায়। লেনদেনের সময় শেয়ারটির দর ৩৮৪ টাকা থেকে ৩৮৯ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ঘোরাফেরা করে। দিনশেষে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে প্রায় ২ কোটি ১ লাখ ৮ হাজার টাকা।
এছাড়া, গ্রামীণফোন লিমিটেডও আজ সূচক বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। এদিন কোম্পানিটি ডিএসইর সূচকে প্রায় ১ পয়েন্ট যোগ করে। লেনদেন শেষে গ্রামীণফোনের শেয়ারদর ২ টাকা ১০ পয়সা বা ০.৮৪ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৫৩ টাকা ৩০ পয়সায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী ও শক্তিশালী মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগকারীদের আস্থার কারণে টানা কয়েকদিন ধরে সূচকে এই ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে।
























