Sahre Business Logo
bangla fonts
facebook twitter google plus rss

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের দেশে


১৯ জানুয়ারি ২০১৬ মঙ্গলবার, ১২:১৪  পিএম

শেয়ার বিজনেস24.কম


ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের দেশে

৭ সেপ্টেম্বর ঘুম থেকে উঠে পড়লাম সকাল ৯টায়। ফ্লোরেন্স যাওয়ার বাস ধরতে হবে। এরপরেও হোস্টেল থেকে বের হতে কিছুটা দেরি হয়ে গেলো। হোস্টেল থেকে পিয়াতছালে রোমার বাসও এলো ২০ মিনিট দেরিতে। পিয়াতছালে রোমায় নেমে ত্রঙ্কেত্তো পিপলস মুভার খুঁজে বের করতে আরো কিছু সময়।
এরপর যখন ওপরে উঠলাম চোখের সামনে পিপলস মুভারের দরজা বন্ধ হয়ে গেলো, দৌড়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হলো না। পরের মুভারে উঠে যখন ওপাশে পৌঁছালাম তখন ৯টা ৯ মিনিট। জার্মানি হলে পরের বাসের টিকিট খুঁজতাম। কিন্তু বিগত কিছুদিনে ইতালির অভিজ্ঞতায় খুব ক্ষীণ একটা আশা নিয়ে মুভার থেকে বের হলাম। বের হয়ে দেখি নিচে মেগা বাস দাঁড়িয়ে। আবারো দৌড়, আমরা যখন বাসের কাছে বাস তখন দুই ফিট পিছিয়ে গেছে পার্কিং থেকে বের হওয়ার জন্য। অবশেষে চালক মহাশয়কে অনুরোধ করে শেষ রক্ষা হলো।বাসে উঠে কিছুক্ষণ রাস্তার পাশের প্রাকৃকিক সৌন্দর্য উপভোগ করলাম। কিন্তু দৃশ্যপট একই রকম থাকায় ছোটখাটো একটা ঘুম দিয়ে দিলাম পরে। আধাঘণ্টা পরে ঘুম যখন ভাঙলো বাস তখন পাহাড়ের ওপরে। পাহাড় কেটে তৈরি করা রাস্তা আর পাশে অনেক নিচে ছোট ছোট শহর, সে এক অসম্ভব সুন্দর দৃশ্য। পাহাড়ের চড়াই উতরাই পার হয়ে বাস চললো বেশ কিছুক্ষণ। দুপুর ১টায় আমরা পৌঁছালাম ফ্লোরেন্সে, নাইটিঙ্গেলের ফ্লোরেন্সে।

ট্রেন স্টেশনের লেফট লাগেজ সেকশনে আমাদের লাগেজ রেখে রওয়ানা হলাম পুরনো শহরের উদ্দেশ্যে। ইচ্ছে করেই একটু ঘুরপথে গেলাম পোন্তে ভেক্কিও বা ওল্ড ব্রিজ দিয়ে আর্নো নদী পার হওয়ার জন্য। ইতোমধ্যে দুপুরের খাওয়ার সময় হয়ে গেছে, তাই নদী পার হয়ে খাবারের দোকান খুঁজতে শুরু করলাম। পেটুক হাসনাইন আগের দিন থেকে শুরু করেছে সে ঝাল কিছু খাবে। সামনে পেয়ে গেলাম একটা চাইনিজ খাবারের দোকান। ঢুকে চিকেন ফ্রাইড রাইস আর মাসালা বিফের অর্ডার করলাম। আর কাউন্টার থেকে চেয়ে নিলাম সাম্বাল ওলেক সস। বেশ জম্পেস একটা খাওয়া হলো। 

শেয়ারবিজনেস24.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: