ঢাকা   বুধবার ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

ধীরগতির উত্থানে শেয়ারবাজার, কমেছে লেনদেন

ধীরগতির উত্থানে শেয়ারবাজার, কমেছে লেনদেন

 টানা কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় আজও (১১ মার্চ ২০২৬) দেশের শেয়ারবাজারে উত্থান অব্যাহত রয়েছে। তবে আগের দুই কার্যদিবসের তুলনায় আজ সূচকের উত্থান ছিল ধীরগতির। দিনশেষে সূচক সামান্য বাড়লেও টাকার অঙ্কে লেনদেন কমেছে।আজকের লেনদেনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। তিনটি সূচকের মধ্যে দুটি বেড়েছে এবং একটি সূচক সামান্য কমেছে।


বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী সপ্তাহে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপিত হতে পারে। এ কারণে অনেক বিনিয়োগকারী ঈদের কেনাকাটা ও নিজ নিজ এলাকায় যাওয়ার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ফলে বাজারে লেনদেনে অংশগ্রহণ কিছুটা কমেছে, যার প্রভাব পড়েছে সূচকের ওঠানামায়। তাদের মতে, ঈদের পর বাজারে আবারও ইতিবাচক প্রবণতা ফিরে আসতে পারে এবং লেনদেনও বাড়বে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২.৫০ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৯২.১৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একই সঙ্গে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৩.৯০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬২.২৮ পয়েন্টে। তবে ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসই-৩০ সামান্য কমে ০.৮১ পয়েন্ট হারিয়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৮.০২ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯১টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৩৬টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৯৮টির কমেছে এবং ৫৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।


লেনদেনের পরিমাণের দিক থেকে দেখা যায়, আজ ডিএসইতে প্রায় ৫১৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের কার্যদিবসে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৯০ কোটি ২৪ লাখ টাকা। ফলে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ৭৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন কমেছে। এদিন সিএসইতে মোট ৩৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। আগের দিন এই বাজারে লেনদেন হয়েছিল ৪৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার।

আজ সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮১টির দর বেড়েছে, ৪২টির কমেছে এবং ২৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। দিনশেষে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬৩.০৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৮৩.১৫ পয়েন্টে। এর আগের কার্যদিবসে সূচকটি ৩৩৩.৬১ পয়েন্ট বেড়েছিল।