বিদায়ী সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ০১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সময়ে ডিএসইর তিনটি প্রধান সূচকের মধ্যে একটি সূচক বেড়েছে, আর দুটি সূচক কমেছে।
সাপ্তাহিক লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ২৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯১১ পয়েন্টে। আলোচ্য সময়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়লেও টাকার অঙ্কে মোট লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।
১৬ খাতে বিনিয়োগকারীদের ইতিবাচক রিটার্ন
সূচকের এই মিশ্র অবস্থার মধ্যেও বিনিয়োগকারীরা ১৬টি খাতে ইতিবাচক সাপ্তাহিক রিটার্ন পেয়েছেন।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, এসব খাতে শেয়ারের দর সাপ্তাহিক ভিত্তিতে বেড়েছে।
যেসব খাতে সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধি পেয়েছে সেগুলো হলো—
কাগজ ও প্রকাশনা, কর্পোরেট বন্ড, লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ব্যাংক, ভ্রমণ ও অবকাশ, জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সিরামিকস, পাট, বস্ত্র, প্রকৌশল, তথ্য প্রযুক্তি, চামড়া, সেবা ও আবাসন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত।
শীর্ষ রিটার্নে কাগজ ও প্রকাশনা খাত
খাতভিত্তিক রিটার্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি মুনাফা দিয়েছে কাগজ ও প্রকাশনা খাত।
সাপ্তাহিক রিটার্নে এই খাতের শেয়ারের দর ৫.৪০ শতাংশ বেড়েছে।
এর পরের অবস্থানে রয়েছে—
কর্পোরেট বন্ড খাত: ২.২৫ শতাংশ
লাইফ ইন্স্যুরেন্স খাত: ২.১৬ শতাংশ
অন্যান্য খাতের সাপ্তাহিক রিটার্ন
ব্যাংক খাত: ১.৭৮ শতাংশ
ভ্রমণ ও অবকাশ: ১.৭৬ শতাংশ
জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: ১.৬২ শতাংশ
আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ১.৩৯ শতাংশ
সিরামিকস: ১.৩৬ শতাংশ
পাট: ১.১২ শতাংশ
বস্ত্র: ০.৯৯ শতাংশ
প্রকৌশল: ০.৮৯ শতাংশ
তথ্য প্রযুক্তি: ০.৮৪ শতাংশ
চামড়া: ০.৫৮ শতাংশ
সেবা ও আবাসন: ০.৩৮ শতাংশ
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ০.২৪ শতাংশ
খাদ্য ও আনুষঙ্গিক: ০.১৬ শতাংশ
বিশ্লেষকদের মতে, সূচকের মিশ্র গতি ও লেনদেন কম থাকলেও খাতভিত্তিক ইতিবাচক রিটার্ন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বাজারে বাছাইভিত্তিক বিনিয়োগ প্রবণতা সক্রিয় রয়েছে। স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য খাত নির্বাচন এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন তারা।
























