শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের সম্পদমূল্য কমেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২টি বহুজাতিক কোম্পানির মধ্যে ১০টির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হ্রাস পেয়েছে।
একই সময়ে মাত্র ২টি কোম্পানির সম্পদমূল্য বেড়েছে।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, যেসব বহুজাতিক কোম্পানির সম্পদমূল্য কমেছে সেগুলো হলো—
ম্যারিকো বাংলাদেশ, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, লিন্ডে বাংলাদেশ, সিঙ্গার বাংলাদেশ, রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশ, আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ), ইউনিলিভার কনজুমার কেয়ার, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি), গ্রামীণফোন ও বাটা সু কোম্পানি।
ম্যারিকো বাংলাদেশ
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে
৯৪ টাকা ৬৫ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে এনএভিপিএস ছিল ২৪১ টাকা ২৯ পয়সা।
আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ)
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত এনএভিপিএস হয়েছে
১৫ টাকা ৭৯ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৭ টাকা ০৩ পয়সা।
রেকিট বেনকিজার বাংলাদেশ
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে
১৩২ টাকা ০২ পয়সা।
যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩০৩ টাকা ০৪ পয়সা।
ইউনিলিভার কনজুমার কেয়ার
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে
১০৭ টাকা ৪১ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে এনএভিপিএস ছিল ১২১ টাকা ৯১ পয়সা।
ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি)
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে
১০৫ টাকা ২২ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে ছিল ১১৩ টাকা ৮২ পয়সা।
গ্রামীণফোন
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত গ্রামীণফোনের এনএভিপিএস হয়েছে
৩৬ টাকা ৭২ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪২ টাকা ৭৭ পয়সা।
লিন্ডে বাংলাদেশ
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে
২০৮ টাকা ১৪ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে ছিল ২২০ টাকা ৩১ পয়সা।
লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত এনএভিপিএস হয়েছে
১৭ টাকা ১৩ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে ছিল ১৭ টাকা ৪৪ পয়সা।
বাটা সু কোম্পানি
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত বাটার এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে
২১৯ টাকা ০৪ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে ছিল ২৫০ টাকা ৪২ পয়সা।
সিঙ্গার বাংলাদেশ
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য হয়েছে
১৩ টাকা ১৯ পয়সা।
আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩১ টাকা ০৫ পয়সা।
বিশ্লেষকদের মতে, বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সম্পদমূল্য কমে যাওয়ার পেছনে ব্যয় বৃদ্ধি, মুনাফা চাপ, ডিভিডেন্ড পেআউট ও মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব বড় ভূমিকা রেখেছে। এতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্কতা ও গভীর বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে।
























